যথাযোগ্য মর্যাদায় গত শুক্রবার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ এই দিনটি রাজধানীসহ সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, নফল রোজা, বিশেষ নামায, জিকির-আসকার ও দান-খয়রাতের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থেকে ৬১ হিজরির এই দিনে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে স্বৈরাচারী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তার অর্ধশতাধিক সফরসঙ্গী।

ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটির গুরুত্ব কেবল কারবালা ট্র্যাজেডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। এদিনেই মহান আল্লাহ তা’آলা হজরত আদম (আ.)-কে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, আগুনের কু-লী থেকে অক্ষত অবস্থায় ফিরেছেন হজরত ইব্রাহিম (আ.), নীল নদে ডুবে মৃত্যু হয়েছে অত্যাচারী ফেরাউনের এবং মাছের পেট থেকে অলৌকিকভাবে মুক্ত হন হজরত ইউনূস (আ.)। এমনকি এই আশুরার দিনেই মহাপ্রলয় বা কেয়ামত সংঘটিত হবে বলে ইসলামি ইতিহাসে বর্ণিত আছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বাণীতে তারা পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা ও ত্যাগকে বুকে ধারণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেতার মাধ্যমগুলো দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে।