শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। তবে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতার শর্ত বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগ তুলে আবারও কর্মসূচিতে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের দাবি, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৭ দিনের অবস্থান কর্মসূচি সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গসহ কয়েকটি রাজ্যে বহু শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের নজরদারি ও হয়রানির অভিযোগও তুলেছে তারা।

সংগঠনের মুখপাত্র আশুতোষ রঙ্কা বলেন, আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার এবং আটক শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতার লিখিত কপিও মঙ্গলবারের মধ্যে প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে আবারও আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

গত শনিবার সংবিধান ক্লাবে সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছিল, এনইইটি পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কেন্দ্র নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করে সংগঠনটি।

তবে সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার ও পুলিশি তৎপরতার পর সেই সমঝোতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে আন্দোলন স্থগিত থাকলেও পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।